নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে এবং গণভোটের দাবি বাস্তবায়নে রাজপথে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও গণমিছিলের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট। বৃহস্পতিবার জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জোটের সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার গণভোটে জনগণের প্রদত্ত রায়কে অস্বীকার করে একটি ন্যক্কারজনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের জন্য মানুষ যে রায় দিয়েছিল, সরকার তা উপেক্ষা করে এখন ক্ষমতার জোরে সংসদে সংবিধান সংশোধনের চেষ্টা করছে। জোটের নেতারা মনে করেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণ যে দায়িত্ব দিয়েছিল, সরকার তা নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। বর্তমান সরকার প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে তোয়াক্কা না করে একচেটিয়া দলীয়করণে লিপ্ত রয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের নৈরাজ্যের কারণে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচন না দিয়ে প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে দলীয় স্বার্থ হাসিল করা হচ্ছে। সরকারের এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে গণমিছিল ও সমাবেশের মতো কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে। মূলত জনগণের অধিকার রক্ষা এবং সংবিধান সংস্কারে গণভোটে প্রাপ্ত রায়ের প্রতিফলন নিশ্চিত করতেই এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে।