শিরোনাম
জনপ্রিয় অনেক পর্যটনকেন্দ্র উন্নয়নে উদ্যোগ নেই

জনপ্রিয় অনেক পর্যটনকেন্দ্র উন্নয়নে উদ্যোগ নেই

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে আঞ্চলিক পর্যায়ে জনপ্রিয় ও সম্ভাবনাময় অনেক পর্যটনস্পট। তবে, এগুলোর উন্নয়নে কোনো পর্যায় থেকেই উদ্যোগ নেই বরং অব্যবস্থাপনায় আকর্ষণ হারিয়েছে বেশ কয়েকটি পর্যটন স্পট।ahsan monjil
টিলা পাহাড়ের কোল ঘেঁষে ফসলের ক্ষেতের অবারিত শোভা। দৃষ্টি সীমার মধ্যেই মঙ্গলী ছড়া। যে কারো মন কাড়ে সিলেট ন্যাচারাল পার্কের সৌন্দর্য।
১৯৬৩ সালে সিলেট সদর উপজেলার বাইশটিলার এই পার্কটি স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়। কিন্তু এরপর আর এগোয়নি সেই উদ্যোগ।
পদ্মা যৌবন হারালেও এই নদীর ওপর ব্রিটিশ আমলে নির্মিত হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এখনো আকর্ষণ ধরে রেখেছে পর্যটকদের কাছে। নতুন প্রজন্মের কাছে এই সেতু যেমন ইতিহাসের সাক্ষী। তেমনি প্রবীণদের কাছে তা স্মৃতিকাতরতার উপখ্যান। হার্ডিঞ্জের সমান্তরালে নির্মিত লালন শাহ্ সেতুও টানে অনেককেই। তবে, এসব জায়গায় পর্যটকদের কোনো সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়নি।
বিশ্ব ঐতিহ্য পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন নিয়ে বিদেশিদেরও আগ্রহও কম নয়। বনের জনপ্রিয় স্পট করমজল, নীলকোমল, টিয়ারচর, মান্দারবাড়িয়া, পতœীরচর দেখতে আসা পর্যটকদের পড়তে হচ্ছ নানা সমস্যায়।
লক্ষ্মীপুর জেলা শহর থেকে ১০ কিলোমিটার সবুজ বেষ্টনীর মধ্যদিয়ে গেলেই মজুচৌধুরীর হাট। মেঘনার কোলঘেঁষা এলাকাটিতে মেঘনার মোহনার স্বচ্ছ জলরাশি জেলেদের ইলিশ শিকার মাঝ নদীতে জেগে ওঠা চরে মাঝে মধ্যেই ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। তবে, নিরাপত্তার কথা ভেবে অনেকেই উৎসাহ পান না।
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ, চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান, সেতার বাদক ও নৃত্যশিল্পী উদয় শংকর, রবি শংকর, কবিয়াল বিজয় সরকারসহ বহু গুণীজনের সুবাদে পরিচিতি নড়াইলের। সৃষ্টিশীল এসব মানুষের চোখে উঠে আসা নড়াইলকে দেখতে আসা মানুষের সংখ্যাও কম নয়।
ভোলার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে জেগে ওঠা চর কুকরি-মুকরি, পাতিলা, ঢালচর, ভাসানচর সেজে উঠছে বিচিত্র রূপে। কক্সবাজার ও কুয়াকাটার পর নতুন আবিষ্কার সোনারচর ও তারুয়া সৈকতের সূর্যাস্তের সৌন্দর্য।
তবে পর্যটকদের নজর কাড়লেও সরকারি কোনো সংস্থার এখনো সুনজর পড়েনি ভোলার এসব সৈকতে।
ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি থেকে নেয়া